সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহ
কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী দেশের মোট জিডিপি’র ২.৪৩ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র প্রায় এক-চতুর্থাংশ (২২.১৪ শতাংশ) মৎস্য উপখাতের অবদান। রপ্তানি আয়েও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে এই মৎস্যখাত। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ ভাগ আসে মাছ থেকে। বিগত তিন অর্থবছরে (২০১৯-২০, ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২) মোট মৎস্য উৎপাদন ছিল যথাক্রমে ৪৫.০৩, ৪৬.২১ এবং ৪৭.৫৯ লক্ষ মেট্রিক টন। বর্তমানে বাংলাদেশের মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য ৫২ টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। বিগত তিন অর্থবছরে ৭০৯৪৫, ৭৬৫৯২ এবং ৭৪০৪৩ মে.টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে যথাক্রমে ৩৯৮৫.১৫, ৪০৮৮.৯৬ এবং ৫১৯১.৭৬ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন ও বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে যথাক্রমে ২য় ও ৫ম স্থান অধিকার করেছে (এফএও, ২০২৩)। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় (এফএও, ২০২৩)। এছাড়াও ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ ১ম এবং তিলাপিয়া উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ ৪র্থ ও এশিয়ায় ৩য় (এফএও, ২০২৩)।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস